বসতবাড়ি | চিঠি ১৩ | উত্তরবঙ্গের দ্বিতল মাটির বাড়ি

এই বঙ্গীয় ব-দ্বীপের প্রায় সব অঞ্চলেই কমবেশি মাটির ঘর দেখা যায়। বিশেষকরে উত্তরবঙ্গের মাটিরগঠন ও শুষ্ক আবহাওয়া মাটিরঘর নির্মাণের উপযুক্ত হওয়ায়, বহু কক্ষ ও তল বিশিষ্ট মাটির বাড়ি বেশ সুপরিচিত। আধুনিকতার ছোঁয়ায় ও কালের পরিক্রমায় ঐতিহ্যবাহী মাটির ঘর হারিয়ে যেতে বসলেও বগুড়া অঞ্চলে এখনো কালের স্বাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে আছে শত শত মাটির দ্বিতল ঘর। স্বদেশীয় স্থাপত্যের অন্যতম নিদর্শন এই মাটির ঘরের আবেদন ফুরিয়ে

বসতবাড়ি | চিঠি ১২ | একান্নবর্তী

এই দক্ষিণ উপমহাদেশে সেই আদিকাল থেকেই একান্নবর্তী সমাজব্যবস্থা গড়ে উঠেছে। যেখানে মা-বাবা, সন্তান, দাদা-দাদিসহ পরিবারের সবাই একত্রে বসবাস করতেন। সময়ের বিবর্তনে সমাজব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটেছে, সেই সাথে একান্নবর্তী পরিবার আজ হারিয়ে যেতে বসেছে । শহুরে নতুন প্রজন্ম প্রকৃতির অপূর্বময়তার সংস্পর্শ থেকে যেমন আজ বঞ্চিত, একই ভাবে পারিবারিক বন্ধনের রূপটাও তেমনভাবে তারা প্রত্যক্ষ করার সুযোগ পায়নি। আজকের

বসতবাড়ি | চিঠি ১১ | ষৎ সবুজাবাস

আধুনিক স্থাপত্য ধারনায় সবুজ স্থাপত্য একটি বহুল আলোচিত বিষয়। বস্তুত, মানুষ ও প্রকৃতির সহবস্থান - এ ধারণার মূল প্রতিপাদ্য। এই ধারণার উৎস নিহিত আছে গ্রামীণ জীবনযাত্রা এবং বসতি নির্মাণ কল্পে। বাংলাদেশের ফরিদপুরের নিভৃত গ্রামে অবস্থিত, সবুজ বেষ্টিত এমনি এক বসতবাড়ির গল্প বর্ণিত ও চিত্রিত হয়েছে আজকের পর্বে। যে বাড়ির আঙিনা জুড়ে খেলা করত ষড়ঋতুর বৈচিত্র্য, আলো-ছায়া আর মাটির সোঁদা গন্ধ। চিঠিটি

বসতবাড়ি | চিঠি ১০ | খাল পাড়ের ভিটা বাড়ি

ঘটনার সময়কাল ষাট এর দশক। এলাকা বরিশাল এর বাবুগাঞ্জ জেলার ঠাকুরমল্লিক গ্রাম। নদী-নালা, খাল-বিল, পুকুর-দীঘিবেষ্টিত প্রাচীন এই জনপদে সেইসময় যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম ছিল নৌপথ। প্রাকৃতিক সম্পদ এবং কৃষিতে সমৃদ্ধ ছিল বরিশাল অঞ্চল। এই জনবসতির সম্ভ্রান্ত কৃষক পরিবারের ঘরে ঘরে ছিল গোয়াল ভরা গরু, গোলা ভরা ফসল ও পুকুর ভরা মাছ - যা আজ পরিণত হয়েছে শুধু এক প্রবাদবাক্যে। আজকের চিঠিতে বর্ণিত হয়েছে এমনি এক

বসতবাড়ি | চিঠি ৯ | ঝুলবারান্দার দ্বিতল কুঠি

বাড়ি কি শুধু ইট পাথরের তৈরি আবাসস্থল মাত্র? নাকি আরও বেশি কিছু? স্মৃতি, সম্পর্ক আর প্রকৃতির সান্নিধ্যে বসতবাড়ি হয়ে ওঠে অনন্যসাধারণ, যা শুধুমাত্র স্থপতির কাগজের দ্বিমাত্রিক নকশা অথবা বাস্তবতার কাছাকাছি ত্রিমাত্রিক ছবিতে প্রকাশ করা এক অসম্পূর্ণ প্রয়াসমাত্র। আজকের পর্ব এমনই এক বাড়ির গল্প নিয়ে। বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গের মফস্বল শহরে অবস্থিত, বৈশিষ্ট্যপূর্ণ দ্বিতল এই বাড়িটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল

বসতবাড়ি | চিঠি ৮ | মফস্বলের ভাড়াবাড়ি

সোনাডাঙ্গা, শিল্প নগরী খুলনার সবচেয়ে পুরাতন আবাসিক এলাকা। সত্তর দশকে এই এলাকার নগরায়ন শুরু হয়। আজকের চিঠিতে বর্ণিত হয়েছে সোনাডাঙ্গা এলাকার প্রথম চারতলা আবাসিক ভবন এবং তার বাসিন্দাদের গল্প। মূলত হোটেল হিসাবে নির্মিত এই ভাড়া বাড়িটি একটি মধ্যবর্তী উঠানের চারপাশে কতগুলো আবাসন ইউনিটের সমন্বয়ে গঠিত। মধ্যবিত্ত সমাজের জীবনধারা ও সামাজিক সম্প্রীতি, বাড়ির ছাদ ভিত্তিক দৈনন্দিন জীবনযাত্রাসহ শহুরে

বসতবাড়ি | চিঠি ৭| বিল অঞ্চলের ঘর বাড়ি

উত্তরবঙ্গের এক সুপ্রাচীন জনপদ পাবনা। বিস্তীর্ণ বিলাঞ্চল সহ উর্বর ভূমি- এ জনপদকে দিয়েছে বৈচিত্রের সমাহার। বিল অঞ্চলে ঘর বাড়ি হয় দুরে দুরে, দ্বীপের ন্যায় কিছুটা উঁচু জমিতে। শুস্ক মৌসুমে বিলের নীচু জমি পরিনিত হয় আবাদি জমিতে। আজকের চিঠিতে বর্ণিত হয়েছে প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীল এমনি এক বিলবাসীর বাড়ির গল্প।

বসতবাড়ি | চিঠি ৬ | ঐতিহাসিক বাংলো বাড়ি

সিলেট , উত্তর পূর্ব বাংলাদেশের এক সমৃদ্ধ অঞ্চল, যা ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনামলে ভারতের আসাম প্রদেশের অংশ ছিল। এই অঞ্চলের ঘর বাড়ির নকশায় ঐতিহাসিক আসাম টাইপ বাংলো বাড়ির প্রভাব লক্ষণীয়; যদিও শহরের দ্রুত নগরায়ণ এবং অতীতের প্রতি অজ্ঞতা এই অবশিষ্ট কাঠামোগুলোর অস্তিত্বকে আজ হুমকির মুখে ফেলেছে। আজকের চিঠিতে ১৯৫০ সালে নির্মিত এমনি এক বাড়ির কথা বর্ণিত হয়েছে। চিঠিটি পাঠিয়েছেন সাদিয়া ইসতিয়াক।

বসতবাড়ি | চিঠি ৫ | স্মৃতিময় মুন্সীবাড়ি

ফেনী জেলায় বিভিন্ন প্রজন্মের যে সকল পরিবার জ্ঞানের আলোর প্রসার ঘটিয়েছে “মুন্সীবাড়ি” তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য। এই পরিবার বৃক্ষের প্রথম পুরুষ ছিলেন ওয়াসিল উদ্দিন মুন্সী। জনশ্রুতি আছে যে, প্রায় ২৫০ বছর পূর্বে তিনি তার দুই সঙ্গী নিয়ে ধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে ইরাক থেকে বাংলাদেশ ভ্রমন করেছিলেন। চট্টগ্রামের ফিরিঙ্গিবাজারের মধ্য দিয়ে তারা তিনজন ফেনীর ফরহাদনগরে পৌঁছেছিলেন । এই জায়গাটি ছিল সম্পূর্ণ

বসতবাড়ি | চিঠি ৪ | পুবে হাঁস,পশ্চিমে বাঁশ, উত্তরে কলা আর দক্ষিণে খোলা

আজকের চিঠিটি গ্রাম বাংলার একটি 'সাধারণ' বাড়ির 'অসাধারণ' চিত্রকল্প, আমাদের পূর্বপুরুষদের প্রজ্ঞা ও অভিজ্ঞতার এক সুনিপুন প্রতিফলন। যুগ যুগ ধরে বাড়ির কাঠামো এবং পারিপার্শ্বিক ভূপ্রাকৃতিক উপাদানগুলির অবস্থান নির্ণীত হতো সূর্যের অবস্থান এবং বাতাসের গতিপ্রবাহ, রোগের এবং দুর্যোগের উৎসের ভিত্তিতে। মানুষ এবং অন্যান্য প্রাণীকুলের সহাবস্থান ছিল চিরায়ত গ্রামীণ জীবনযাত্রার এক শাশ্বত রূপ। -Editor

MOST VISITED

  • Dusai Resort & Spa - Sylhet  |  VITTI Sthapati Brindo Ltd. (44,770)
  • JUM CULTURAL COMPLEX, Rangamati | BUET (31,566)
  • Bongotaj Memorial and Museum Complex | AUST (18,883)
  • Centre for Blind Children | NSU (17,750)
Ad
Ad