বসতবাড়ি | চিঠি ১৯ | ছায়ানীড়ের গল্প

সময়কাল সত্তর দশক। মানিকগঞ্জের পশ্চিম দাশরা গ্রাম। শান্ত, খোলামেলা, রৌদ্রময়, ছায়াঢাকা এক বাড়ি - নাম ‘ছায়ানীড়’। ভিতর বাড়ির উঠানে ছাতার মত ছড়ানো এক পেয়ারা গাছ - যাকে ঘিরে বসতো প্রাণের আসর। বাড়ির পুবে খাল, উত্তরে বেশ বড়সড় বাঁশঝাঁড় আর জঙ্গল, আর একপাশে একটা শিমুল গাছ যা শীতের শেষে ভরে উঠতো লাল ফুলে ফুলে, ঝরা পাতায় গুঁই সাপ আর গিরগিটি চলাচলের সর সর শব্দ , আর সন্ধ্যা হতেই শেয়ালের ডাক — বসতবাড়ি

বসতবাড়ি | চিঠি ১৮ | চাঁটগাঁইয়া ‘ভিডা’ বাড়ি

আজকের চিঠিতে বর্ণিত বসতবাড়িটি বাংলাদেশের দক্ষিণ পূর্বে চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলায় অবস্থিত। সবুজ বেষ্টিত বিস্তৃত জায়গা জুড়ে একতলা এবং দোতলা মাটির ঘর, বাড়ির আঙিনায় পুঁথি পাঠ, প্রবেশ পথে বড় পুকুর, সীমানা দাগ বরাবর ছোট খাল যা স্থানীয়ভাবে ‘গড়াই’ নামে পরিচিত — এই সবকিছু বসতবাড়িটিকে করেছে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত। চিঠিটি পাঠিয়েছেন সুদীপ্ত নন্দী; চিত্রায়ন: শুভ্র দাশ, রাফিদ রহিম ও সাদ বিন মোস্তফা; অনুবাদ:

বসতবাড়ি | চিঠি ১৭ | বাপ দাদার ভিটে-বাড়ি

চলমান নগরায়নের প্রভাবে আমাদের বাপ দাদার ভিটা বাড়ি আজ রূপান্তরিত হয়েছে এক নির্বাসিত জনপদে। শহুরে প্রজন্মের কাছে তাই বসতবাড়ি শুধুই গ্রামের বাড়ি, শীতের ছুটিতে ঘুরতে যাওয়া দাদা বাড়ির স্মৃতি। চিঠিতে বর্ণিত বসতবাড়িটি বরিশালের এক প্রতন্ত গ্রামে অবস্থিত। প্রমত্তা নদী, বিস্তৃত ধানক্ষেত, ও ছোট ছোট খাল আর ছায়া আচ্ছাদিত লম্বা পথ পেরিয়ে তবেই পৌঁছুতে হতো গ্রামটিতে। প্রকৃতির নির্মল বাতাস, বাড়ির সরব উঠান,

বসতবাড়ি | চিঠি ১৬ | বড় বাড়ি

উত্তর বঙ্গের অন্যতম জনপদ গাইবান্ধা জেলা বৃহত্তর প্লাবন সমভূমিতে অবস্থিত। এই অঞ্চলের কৃষি সভত্য অত্যন্ত প্রাচীন এবং আদি জনগোষ্ঠী পুন্ড্রজাতি বা কৃষক জাতি নামে পরিচিত ছিল। আজকের চিঠিতে লেখককের প্রাণবন্ত বর্ণনায় ফুটে উঠেছে এই অঞ্চলের গ্রামীণ প্রাকৃতিক পরিবেশ, বসতবাড়ির স্থানিক বিন্যাস, যৌথ পরিবার ভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা ও মানবিক জীবনাচারণ। চিঠিটি পাঠিয়েছেন ইয়াসির আফিয়াত রাফি; চিত্রায়ন:

বসতবাড়ি | চিঠি ১৫ | মাটির শৈল্পিক বাড়ি

চট্টগ্রামের একটি শিল্পসমৃদ্ধ জনপদের নাম রাউজান। জানা যায়, ১৯৩০ সালের দিকে, মূলত কলকাতা থেকে এই অঞ্চলে আর্ট ডেকো-এর প্রভাব শুরু হয়, যা বিত্তশালী ব্যক্তি ও জমিদার বাড়ির নকশায় বিশেষভাবে লক্ষণীয়। আজকের চিঠিতে যে বাড়িটির কথা বর্ণিত হয়েছে, তা সমসাময়িক কালে নির্মিত। জানালা এবং প্রবেশদ্বারে খাঁজকৃত জ্যামিতিক অলংকরণ, মূল দেয়াল এবং চালার মাঝে সরু খোলা অংশ (clerestory) , মাটির ঘরটিকে একটি শৈল্পিক ছোয়া

বসতবাড়ি | চিঠি ১৪ | সুন্দরী কাঠের দোতলাবাড়ি

বাংলাদেশের দক্ষিণ উপকূলীয় জনবসতি ছোট-বড় অসংখ্য নদী ও খাল দ্বারা বেষ্টিত । জল ও সবুজে সমৃদ্ধ এই অঞ্চলের ঘর বাড়ি জলাধার তীরবর্তী প্রাকৃতিক উঁচু জমিতে গড়ে উঠেছে। সারি সারি নারিকেল ও সুপারির বাগান, কিছুদূর পর পর সরু খাল এবং তার উপর বাঁশের সাঁকো, কাঠের তৈরি একতলা বা কখনও কখনও দোতলা বাড়ি — এই ছিল এই অঞ্চলের বসতবাড়ির সাধারণ চিত্র। সময়ের পরিক্রমায় বাস্তব জগতে আজ এর অনেক কিছুই হারিয়ে গেলেও

বসতবাড়ি | চিঠি ১৩ | উত্তরবঙ্গের দ্বিতল মাটির বাড়ি

এই বঙ্গীয় ব-দ্বীপের প্রায় সব অঞ্চলেই কমবেশি মাটির ঘর দেখা যায়। বিশেষকরে উত্তরবঙ্গের মাটিরগঠন ও শুষ্ক আবহাওয়া মাটিরঘর নির্মাণের উপযুক্ত হওয়ায়, বহু কক্ষ ও তল বিশিষ্ট মাটির বাড়ি বেশ সুপরিচিত। আধুনিকতার ছোঁয়ায় ও কালের পরিক্রমায় ঐতিহ্যবাহী মাটির ঘর হারিয়ে যেতে বসলেও বগুড়া অঞ্চলে এখনো কালের স্বাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে আছে শত শত মাটির দ্বিতল ঘর। স্বদেশীয় স্থাপত্যের অন্যতম নিদর্শন এই মাটির ঘরের আবেদন ফুরিয়ে

বসতবাড়ি | চিঠি ১২ | একান্নবর্তী

এই দক্ষিণ উপমহাদেশে সেই আদিকাল থেকেই একান্নবর্তী সমাজব্যবস্থা গড়ে উঠেছে। যেখানে মা-বাবা, সন্তান, দাদা-দাদিসহ পরিবারের সবাই একত্রে বসবাস করতেন। সময়ের বিবর্তনে সমাজব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটেছে, সেই সাথে একান্নবর্তী পরিবার আজ হারিয়ে যেতে বসেছে । শহুরে নতুন প্রজন্ম প্রকৃতির অপূর্বময়তার সংস্পর্শ থেকে যেমন আজ বঞ্চিত, একই ভাবে পারিবারিক বন্ধনের রূপটাও তেমনভাবে তারা প্রত্যক্ষ করার সুযোগ পায়নি। আজকের

বসতবাড়ি | চিঠি ১১ | ষৎ সবুজাবাস

আধুনিক স্থাপত্য ধারনায় সবুজ স্থাপত্য একটি বহুল আলোচিত বিষয়। বস্তুত, মানুষ ও প্রকৃতির সহবস্থান - এ ধারণার মূল প্রতিপাদ্য। এই ধারণার উৎস নিহিত আছে গ্রামীণ জীবনযাত্রা এবং বসতি নির্মাণ কল্পে। বাংলাদেশের ফরিদপুরের নিভৃত গ্রামে অবস্থিত, সবুজ বেষ্টিত এমনি এক বসতবাড়ির গল্প বর্ণিত ও চিত্রিত হয়েছে আজকের পর্বে। যে বাড়ির আঙিনা জুড়ে খেলা করত ষড়ঋতুর বৈচিত্র্য, আলো-ছায়া আর মাটির সোঁদা গন্ধ। চিঠিটি

বসতবাড়ি | চিঠি ১০ | খাল পাড়ের ভিটা বাড়ি

ঘটনার সময়কাল ষাট এর দশক। এলাকা বরিশাল এর বাবুগাঞ্জ জেলার ঠাকুরমল্লিক গ্রাম। নদী-নালা, খাল-বিল, পুকুর-দীঘিবেষ্টিত প্রাচীন এই জনপদে সেইসময় যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম ছিল নৌপথ। প্রাকৃতিক সম্পদ এবং কৃষিতে সমৃদ্ধ ছিল বরিশাল অঞ্চল। এই জনবসতির সম্ভ্রান্ত কৃষক পরিবারের ঘরে ঘরে ছিল গোয়াল ভরা গরু, গোলা ভরা ফসল ও পুকুর ভরা মাছ - যা আজ পরিণত হয়েছে শুধু এক প্রবাদবাক্যে। আজকের চিঠিতে বর্ণিত হয়েছে এমনি এক

MOST VISITED

  • Dusai Resort & Spa - Sylhet  |  VITTI Sthapati Brindo Ltd. (47,936)
  • JUM CULTURAL COMPLEX, Rangamati | BUET (33,551)
  • Bongotaj Memorial and Museum Complex | AUST (25,166)
  • Homeostasis | Studio XI Architects (23,579)
Ad
Ad